খেয়া ঘাটের নৌকো
এই খেয়া ঘাটের ছবিগুলি নারায়ণগঞ্জ থেকে তোলা। প্রতি মূহুর্তে শত-শত লোক এই খেয়া ঘাটগুলি দিয়ে পারাপার করছে নদীর পূর্ব থেকে পশ্চিম আর পশ্চিম থেকে পূর্ব পাড়ে।
সেদিন আমরা দেখেছি হাজীগঞ্জ জলদুর্গ ভ্রমণের কিছু তথ্যচিত্র। তারপর থেকেই শুরু করছি এখানে। হাজীগঞ্জ জলদুর্গ দেখে রাস্তায় বেরিয়ে এসে সামান্য উত্তরদিকে হেঁটে গেলেই দেখবেন রয়েছে একটি খেয়া ঘাট শীতলক্ষ্যা পারাপারের। অনেকগুলি বড়বড় ছই ওয়ালা নোকা রয়েছে এই ঘাটে পারাপারের জন্য। লক্ষ্যা পারি দিতে
খেয়া ঘাটের ইজারাদারকে দিতে হবে যেতে ১ টাকা আবার আসতে এক টাকা। ইঞ্জিন চালিতো বড় আকারের দুটি নৌকায় খেয়া পারাপার হয়। এই নৌকায় কত দিতে হয় আমার জানা নেই। তবে ছই ওয়ালা নৌকায় (গয়না নৌকায়) পার হতে পারেন রিজাভ নিয়ে ২০ টাকায়। তাছাড়া ঘন্টা হিসেবেও ভাড়া নিতে পারেন এই সমস্ত নৌকো, তবে অবশ্যই দরদাম করে নিতে হবে।
এই খেয়া ঘাটদিয়ে শীতলক্ষ্যা পার হয়ে পূর্ব পাশে গেলেই দেখতে পাবেন আকর্ষণীয় একটি স্থান। সেই যায়গার কথা পরে বলছি, আজ দেখুন খেয়া ঘাটের কিছু চিত্র।
১৪।
১৩।
১২।
১১।
১০।
৯।
৮।
৭।
৬।
৫।
৪।
৩।
২।
১।
এটি ছাড়াও আরো কিছু খেয়া ঘাট রয়েছে শীতলক্ষ্যা পারাপারের জন্য। তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত আর সুবিধাজনকটি হচ্ছে বন্দর ঘাট। বাস বা ট্রেন থেকে নেমে হেঁটেই চলে যেতে পারবেন বন্দর ঘাটে। ঢাকা থেকে অনেকগুলি পরিবহনের বাস যায় নারায়ণগঞ্জ, গুলিস্থান – সায়দাবাদ – যাত্রাবাড়ি থেকে। ২০-২৫ টাকায় টিকেট কেটে উঠে পরতে পারেন। তাছাড়া এসি একটা বাসও চলাচল করে আশিয়ান নামের। আর যেতে পারেন কমলাপুর থেকে ট্রেনে চড়েও, ভাড়া আগে ছিলো ৫ টাকা এখন কত জানা নেই।
No related posts.




এমন চিত্র দেখে ভ্রমন করার আর দ্রকার নেই। তৃপ্তি মিঠে গেছে
সরাসরি দেখার মজাই কিন্তু অন্য রকম নিজাম ভাই।
সারোয়ার ভাই, আপনি কই? আপনাকে তো দেখতে পারছি না!!
ক্যামেরার পিছনেই আছি, একটু নজর কইরা দেখেন।
অসাধারন দৃশ্য অবলোকন করলাম। না জানি কবে নাগাত এমন জায়গায় ভ্রমন করিবো সেই আশায়…
সময় করের চলে যান, বেশি দূরেতো আর না।
সাইট এত্ত ভারী করলেন ক্য্য্য্যা?
নিজাম ভাই, সাইট ভারি হয়েছে না শুধু এই পোষ্টটা ভারি হয়েছে?
সত্যিই সুন্দর। কিন্তু বাস্তব অন্যরকম!
ধন্যবাদ সেলিম ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।